মন্তব্য করুন
মন্তব্য করুন
মন্তব্য করুন
মন্তব্য করুন
মন্তব্য করুন
মন্তব্য করুন
মন্তব্য করুন
মন্তব্য করুন
মন্তব্য করুন
মন্তব্য করুন
মন্তব্য করুন
মন্তব্য করুন
মন্তব্য করুন
মন্তব্য করুন
মন্তব্য করুন

মন্তব্য করুন
মানব পাচার মামলার পলাতক আসামি মো: আনোয়ার হোসেন (৫৬)’কে ঢাকা জেলার কেরাণীগঞ্জ এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১০।
র্যাব সূত্র জানায়, ভিকটিমের আর্থিক সচ্ছলতার প্রলোভন দেখিয়ে আসামি মো: আনোয়ার হোসেনসহ অন্যান্য আসামিরা ২০১৭ সালের ২৮ মার্চ রাতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে ভিকটিমকে মালয়েশিয়ায় পাচার করে। সেখানে পৌঁছানোর পর ভিকটিমকে অনৈতিক কার্যকলাপে লিপ্ত হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। এতে রাজি না হলে তাকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয় এবং জানানো হয় যে, বাংলাদেশে অবস্থানরত এক ব্যক্তির কাছ থেকে তাকে অর্থের বিনিময়ে ক্রয় করা হয়েছে।
পরবর্তীতে ভিকটিম কৌশলে পালিয়ে মালয়েশিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশি নাগরিকদের সহায়তায় দেশে ফিরে আসে। এরপর ২০২৩ সালের ২৮ এপ্রিল পুনরায় একই চক্র ভিকটিমকে মালয়েশিয়ায় নিয়ে যায়। সেখানে গিয়ে ভিকটিম জানতে পারে, আসামি আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে একটি সংঘবদ্ধ মানব পাচার চক্র দীর্ঘদিন ধরে অসহায় নারীদের মালয়েশিয়ায় পাচার করে দেহব্যবসাসহ নানা অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জোরপূর্বক লিপ্ত করছে।
এ ঘটনায় ভিকটিম ঢাকার বিমানবন্দর থানায় অভিযোগ দায়ের করলে মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ অনুযায়ী একটি মামলা রুজু হয়। মামলার প্রেক্ষিতে র্যাব-১০ তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে।
এরই ধারাবাহিকতায় ১১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখ বিকাল আনুমানিক ৪টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১০ এর একটি আভিযানিক দল কেরাণীগঞ্জ মডেল থানাধীন চুনকুটিয়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে পলাতক আসামি মো: আনোয়ার হোসেনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। গ্রেফতারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন
মন্তব্য করুন

মন্তব্য করুন
মন্তব্য করুন

মন্তব্য করুন
মন্তব্য করুন
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন
মন্তব্য করুন
মন্তব্য করুন
মন্তব্য করুন

মন্তব্য করুন
মন্তব্য করুন

মন্তব্য করুন
মন্তব্য করুন
মন্তব্য করুন
ফরিদপুর কোতয়ালী থানায় দায়ের করা রতন শেখ (৪৫) হত্যা মামলার অন্যতম আসামি শ্রাবণ (২৮)’কে রাজধানীর লালবাগ এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১০।
র্যাব জানায়, দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই র্যাব সন্ত্রাস, হত্যা, মাদক, অবৈধ অস্ত্র ও সংঘবদ্ধ অপরাধের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় র্যাব-১০-এর সিপিসি-২ শ্রীনগর এবং সিপিএসসি লালবাগ ক্যাম্পের যৌথ অভিযানে আলোচিত এই হত্যা মামলার আসামিকে গ্রেফতার করা হয়।
র্যাবের তথ্যমতে, গত ২৫ জুলাই ২০২৫ তারিখ রাত আনুমানিক ১২টা ৩০ মিনিটে ভিকটিম রতন শেখের ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরে একটি কল আসার পর তিনি বাসা থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন। পরে সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তাকে না পেয়ে তার স্ত্রী ফরিদপুর কোতয়ালী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
পরবর্তীতে লোকমুখে সংবাদ পেয়ে ভিকটিমের স্ত্রী জানতে পারেন, ফরিদপুর কোতয়ালী থানাধীন ডিগ্রীরচর নমডাঙ্গীর ডকইয়ার্ড এলাকায় পদ্মা নদীতে একটি অজ্ঞাতনামা লাশ ভাসছে। ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনি তার স্বামী রতন শেখের লাশ শনাক্ত করেন।
তদন্তে জানা যায়, গত ২৫ জুলাই ২০২৫ তারিখ রাত আনুমানিক ৪টার দিকে পূর্বশত্রুতার জেরে একাধিক ব্যক্তি পরস্পর যোগসাজশে রতন শেখকে হত্যা করে। পরে হত্যাকাণ্ডের আলামত গোপন করতে লাশ পদ্মা নদীতে ফেলে দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় ভিকটিমের স্ত্রী বাদী হয়ে ফরিদপুর কোতয়ালী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি নং-৫৮, তারিখ ২৮ জুলাই ২০২৫ খ্রিঃ এবং এতে দণ্ডবিধির ৩০২/২০১/৩৪ ধারায় মামলা রুজু করা হয়।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে র্যাব-১০ গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে এবং তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান পরিচালনা করে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২১ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখ বিকাল আনুমানিক ৫টা ৩০ মিনিটে ঢাকা মহানগর পুলিশের লালবাগ থানাধীন বেরীবাঁধ এলাকা থেকে মামলার অন্যতম আসামি শ্রাবণ (২৮)–কে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামি শ্রাবণের পিতার নাম ফরহাদ শেখ। তার বাড়ি ফরিদপুর জেলার কোতয়ালী থানার ফরিদাবাদ এলাকায়। পরবর্তীতে তাকে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন

মন্তব্য করুন
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি মোঃ রাসেল (৩৮)’কে মুন্সিগঞ্জের পদ্মা সেতু উত্তর থানা এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১০।
র্যাব-১০ সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এবং আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অদ্য ২১ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে র্যাব-১০ এর একটি আভিযানিক দল মুন্সিগঞ্জ জেলার পদ্মা সেতু উত্তর থানা এলাকায় পরিকল্পিত অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে দুপুর আনুমানিক ১২টা ২০ মিনিটে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি মোঃ রাসেলকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামি মোঃ রাসেল (৩৮), পিতা— মোঃ আনোয়ার হোসেন। তার বাড়ি মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রীনগর থানার মাসুরগাঁ গ্রামে। তিনি শ্রীনগর থানার মামলা নং ২৩(৯)১৯ এর আসামি। মামলাটি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩৬(১) ধারার সারণির ১০(ক) অনুযায়ী দায়ের করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামি স্বীকার করে যে, সে দীর্ঘদিন ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে বিভিন্ন এলাকায় আত্মগোপনে ছিল। গ্রেফতার শেষে তাকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
🔖 হ্যাশট্যাগ
#র্যাব১০
#মাদকবিরোধীঅভিযান
#মাদকমামলা
#পলাতকআসামি
#মুন্সিগঞ্জসংবাদ
#PadmaBridge
#LawEnforcement
#DrugControlAct
#CrimeNewsBD
#BangladeshNews
আপনি চাইলে আমি এটি SEO মেটা টাইটেল, ফেসবুক পোস্ট, বা HTML নিউজ ফরম্যাটেও সাজিয়ে দিতে পারি।
মন্তব্য করুন
ঢাকার কেরাণীগঞ্জে আনুমানিক ১ লাখ ৬৮ হাজার টাকা মূল্যমানের ৫.৬ কেজি গাঁজাসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১০।
র্যাব জানায়, মাদকবিরোধী নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর ২০২৫) সন্ধ্যা আনুমানিক ৫টা ২০ মিনিটে র্যাব-১০ এর সদর কোম্পানির একটি আভিযানিক দল দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানাধীন ইকুরিয়া বেপারীপাড়া মিরেরবাগ কবরস্থান এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় ৫.৬ কেজি গাঁজাসহ একজন সক্রিয় মাদক ব্যবসায়ীকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির নাম মো. সাগর (৩২)। তিনি ইকুরিয়া এলাকার মো. শহিদুল্লাহর ছেলে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত সাগর একজন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী।
তিনি দীর্ঘদিন ধরে দেশের সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে অবৈধভাবে গাঁজাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে অভিনব কৌশলে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করে আসছিলেন।
র্যাব আরও জানায়, উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
র্যাব-১০ জানায়, মাদক সমাজের জন্য একটি ভয়াবহ বিষফোঁড়া, যা যুব সমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে এবং সামাজিক স্থিতিশীলতা ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি সৃষ্টি করছে।
“মাদক নির্মূলে জিরো টলারেন্স” নীতিতে বিশ্বাসী র্যাব ভবিষ্যতেও মাদক, অস্ত্র, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে তাদের অভিযান অব্যাহত রাখবে।
মন্তব্য করুন
ফরিদপুরের সালথায় মাছ ব্যবসায়ী উৎপল সরকার হত্যা মামলার আসামি সাভার থেকে গ্রেফতার
ফরিদপুরের সালথায় চাঞ্চল্যকর ও দীর্ঘদিনের ক্লুলেস মাছ ব্যবসায়ী উৎপল সরকার (২৬) হত্যাকাণ্ডের এক আসামিকে গ্রেফতার করেছে র্যাব। ঢাকার সাভার এলাকা থেকে র্যাব-১০ ও র্যাব-৪ এর যৌথ অভিযানে গ্রেফতার করা হয় জাফর মোল্যা (৪২) নামের ওই আসামিকে।
র্যাব সূত্র জানায়, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সন্ত্রাসবাদ, হত্যা, মাদক, অবৈধ অস্ত্র ও সংঘবদ্ধ অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযানের ধারাবাহিকতায় এ গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য অর্জিত হয়েছে।
গত ৫ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখ ভোর আনুমানিক ৪টার দিকে মাছ ব্যবসায়ী উৎপল সরকার অটোভ্যান চালক ফিরোজ মোল্যার অটোভ্যানে করে মাছ কেনার উদ্দেশ্যে মুকসুদপুরের দিকে রওনা হন। ভোর সাড়ে ৪টার দিকে সালথা থানাধীন গৌড়দিয়া কালীতলা ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে একটি অটো ইজিবাইক তাদের গতিরোধ করে।
এ সময় মুখোশ পরিহিত ৩ থেকে ৪ জন দুর্বৃত্ত ধারালো অস্ত্র হাতে অটোভ্যান থেকে নেমে চালক ফিরোজ মোল্যার হাত-মুখ বেঁধে ব্রিজের রেলিংয়ের সঙ্গে বেঁধে ফেলে। পরে চালকের কাছ থেকে অটোভ্যানের চাবি, নগদ টাকা ও একটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়।
এরপর দুর্বৃত্তরা উৎপল সরকারকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে তার কাছে থাকা মাছ ক্রয়ের নগদ আনুমানিক ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয় এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে। হত্যার পর তার মরদেহ কালীতলা ব্রিজের এক পাশে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় তারা।
এ ঘটনায় নিহত উৎপল সরকারের বাবা বাদী হয়ে সালথা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা নম্বর-০৪ (তারিখ: ৬ ডিসেম্বর ২০২৫), ধারা- ৩৯৪/৩০২, দণ্ডবিধি ১৮৬০।
মামলার তদন্তের একপর্যায়ে সালথা থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা আসামি গ্রেফতারে র্যাব-১০ এর সহায়তা কামনা করেন। এরই প্রেক্ষিতে গোয়েন্দা নজরদারি ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় গত ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫ রাত আনুমানিক ৯টা ৪৫ মিনিটে ঢাকার সাভার থানাধীন পশ্চিম ব্যাংক টাউন এলাকা থেকে জাফর মোল্যাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় নতুন চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এনেছেন গ্রেপ্তারকৃত আসামি মো. কবির। আদালতে দেওয়া বক্তব্যে তিনি দাবি করেছেন, আলোচিত মোটরসাইকেলটি তার নয়; এটি কিনেছেন তার বন্ধু মাইনুদ্দিন ইসলাম শুভ। তবে মোটরসাইকেল কেনার সময় তার জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করা হয়েছিল।
সোমবার নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে কবিরকে গ্রেপ্তার করে র্যাব। মঙ্গলবার তাকে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে শুনানি শেষে তার সাতদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়।
রিমান্ড শুনানিতে তদন্ত কর্মকর্তা জানান, হত্যাচেষ্টায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল সরবরাহের মাধ্যমে কবির সরাসরি অপরাধে সহযোগিতা করেছেন। তবে কবিরের দাবি, তিনি একজন উবার চালক ছিলেন এবং মূল অভিযুক্ত ফয়সল করিম মাসুদের নির্দেশেই বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করতেন।
কবির আরও বলেন, ঘটনার প্রায় ১৮–২০ দিন আগে ফয়সল ফোন করে তাকে ওসমান হাদির অফিসে নিয়ে যেতে বলেন। সেখানে যাওয়ার পরই পুরো ঘটনার সূত্রপাত হয় বলে আদালতে জানান তিনি।
এদিকে এ মামলায় ফয়সল করিম মাসুদের স্ত্রী, শ্যালিকা ও শ্যালকসহ ঘনিষ্ঠ তিনজন ইতোমধ্যে রিমান্ডে রয়েছেন। অপরদিকে মোটরসাইকেলের মালিকানা দাবি করা আব্দুল হান্নানকেও পুলিশ রিমান্ডে নিয়েছে।
ওসমান হাদির ওপর এই হত্যাচেষ্টা দেশের রাজনীতিতে তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। তদন্তে একের পর এক তথ্য বেরিয়ে আসায় মামলাটি নতুন মোড়ে যাচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
মন্তব্য করুন
রাজধানীর ডেমরা এলাকায় র্যাব-১০ এর বিশেষ অভিযানে আনুমানিক ১২ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা মূল্যমানের ৪২ কেজি গাঁজাসহ একজন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। একই সঙ্গে মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি পিকআপ ভ্যান জব্দ করা হয়।
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও মাদকবিরোধী কার্যক্রমে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। তরুণ সমাজকে মাদকের ভয়াল ছোবল থেকে রক্ষার লক্ষ্যে নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে গতকাল ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখ রাত আনুমানিক ১০টা ০৫ মিনিটে র্যাব-১০, সিপিসি-১ যাত্রাবাড়ী ক্যাম্পের একটি চৌকস আভিযানিক দল ডেমরা থানাধীন ডেমরা ঘাট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির নাম মো: সাদ্দাম হোসেন @ শাওন (৩২)। তিনি গোপালগঞ্জ জেলার মোকসেদপুর থানার পৌরজানি এলাকার বাসিন্দা এবং মৃত মাসুদ মোল্লার পুত্র বলে জানা গেছে।
র্যাব জানায়, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি একজন সক্রিয় ও পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী। তিনি দীর্ঘদিন ধরে দেশের সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে অবৈধভাবে গাঁজাসহ বিভিন্ন মাদক সংগ্রহ করে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ করে আসছিলেন।
উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য, জব্দকৃত পিকআপ ও গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজুর লক্ষ্যে ডিএমপি’র ডেমরা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব-১০ জানায়, মাদক সমাজের জন্য এক ভয়াবহ অভিশাপ। এটি যুব সমাজ ধ্বংসের পাশাপাশি পরিবার ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি। “মাদক নির্মূলে জিরো টলারেন্স” নীতিতে অটল থেকে র্যাব ভবিষ্যতেও মাদক, সন্ত্রাস, অস্ত্র ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রাখবে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে স্বাক্ষর করেন—
মো: সাজেদুল ইসলাম
সহকারী পুলিশ সুপার
স্কোয়াড কমান্ডার, সিপিসি লালবাগ
র্যাব-১০ (অতিরিক্ত দায়িত্বে মিডিয়া)h
মন্তব্য করুন
শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই অনুরোধ জানানো হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) রাজধানীর বিজয়নগর বক্স কালভার্ট এলাকায় মোটরসাইকেল আরোহী দুর্বৃত্তদের হামলায় ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদি গুরুতর আহত হন। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ হামলাকারীদের গ্রেফতারে রাজধানীতে জোর অভিযান পরিচালনা করছে।
এতে আরও বলা হয়, ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ছবির ব্যক্তিকে প্রাথমিকভাবে শনাক্ত করা গেছে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ তাকে হন্যে হয়ে খুঁজছে।
এই ব্যক্তি সম্পর্কে কোনো তথ্য থাকলে বা তার সন্ধান পেলে দ্রুত নিম্নলিখিত মোবাইল নম্বর অথবা ৯৯৯ এর মাধ্যমে পুলিশকে জানানোর জন্য বিনীত অনুরোধ করা হলো।
ডিসি মতিঝিল: 01320040080
ওসি পল্টন: 01320040132
সন্ধানদাতার পরিচয় গোপন রাখা হবে এবং উপযুক্ত পুরস্কৃত করা হবে।
মন্তব্য করুন
ঢাকার মোহাম্মদপুরে মা–মেয়েকে নৃশংসভাবে হত্যার মামলায় গ্রেফতার প্রধান আসামি গৃহকর্মী আয়েশা এবং তার স্বামী রাব্বি শিকদারকে বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) আদালতে হাজির করে পুলিশ। শুনানি শেষে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আলম আয়েশার ছয় দিন এবং রাব্বির তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে উপস্থিত ছিলেন সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর হারুন-অর-রশিদ। তবে আসামিপক্ষে কোনো আইনজীবী আদালতে উপস্থিত ছিলেন না।
মোহাম্মদপুর থানার উপ-পরিদর্শক মো. সহিদুল ওসমান মাসুম দুই আসামির প্রত্যেকের ১০ দিন করে রিমান্ড আবেদন করেন। তিনি আদালতকে জানান, ঘটনাটির রহস্য উদঘাটন এবং হত্যার নেপথ্যে কোনো ব্যক্তির সম্পৃক্ততা থাকলে তা চিহ্নিত করার জন্য আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ অত্যন্ত জরুরি।
এর আগে নিহত লায়লা ফিরোজের স্বামী আ জ ম আজিজুল ইসলাম ৮ ডিসেম্বর মোহাম্মদপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
এজাহারে তিনি উল্লেখ করেন, ঘটনার দিন সকালে স্ত্রী ও মেয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পেরে সকাল ১১টার দিকে বাসায় ফিরে তিনি দেখেন, তার স্ত্রী গলাকাটা অবস্থায় মৃত এবং মেয়ে গুরুতর আহত। পরে মেয়েকে সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, গৃহকর্মী আয়েশা সকাল ৭টা ৫১ মিনিটে বাসায় প্রবেশ করেন এবং ৯টা ৩৫ মিনিটে বের হয়ে যান। বের হওয়ার সময় তার কাছে নিহতের মেয়ের মোবাইল, ল্যাপটপ, স্বর্ণালংকারসহ অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী ছিল।
ফুটেজ পর্যালোচনা করে বাদী নিশ্চিত হন—এই সময়ের মধ্যেই তার স্ত্রী ও মেয়েকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন
মুন্সীগঞ্জ জেলার শ্রীনগর উপজেলায় বিশেষ অভিযানে ১০০ পিস ইয়াবা, ৪৫ গ্রাম গাঁজা ও একটি ইজিবাইকসহ এক পেশাদার মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১০।
সোমবার (০৯ ডিসেম্বর ২০২৫) বিকাল আনুমানিক ৩টা ৪৫ মিনিটে র্যাব-১০ এর একটি আভিযানিক দল শ্রীনগর থানার কামারগাঁও এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করে।
র্যাব জানায়, উদ্ধারকৃত ইয়াবার বাজারমূল্য প্রায় ৩০ হাজার টাকা এবং গাঁজার মূল্য প্রায় এক হাজার টাকা। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির নাম মোঃ জসিম আলম (৪৫); তিনি দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা ও গাঁজাসহ বিভিন্ন মাদক অবৈধভাবে সংগ্রহ করে মুন্সীগঞ্জ ও আশপাশের এলাকায় সরবরাহ করে আসছিলেন।
অভিযানের সময় তার ব্যবহৃত ইজিবাইকও জব্দ করা হয়।
র্যাব-১০ আরও জানায়, মাদক নির্মূলে “জিরো টলারেন্স” নীতি বাস্তবায়নে তারা নিয়মিত অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য ও গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে শ্রীনগর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন।
মাদকের ভয়াবহতা তুলে ধরে র্যাব জানায়, মাদক সমাজ, পরিবার ও যুবসমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে এবং জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি। নিরাপদ সমাজ গঠনে র্যাবের এমন অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন
নিহত লায়লা ফিরোজের স্বামী আ জ ম আজিজুল ইসলাম বাদী হয়ে মোহাম্মদপুর থানায় এই হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) দুপুরে মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেজবাহ উদ্দিন মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আসামি গ্রেফতারে অভিযান চলছে।
পুলিশের ধারণা, এ হত্যাকাণ্ডে গৃহকর্মী আয়েশা জড়িত। ঘটনার পর থেকে ওই গৃহকর্মী পলাতক। তার বয়স ২০ বছর বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ভবনের সিসি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা গেছে, ওই গৃহকর্মী বোরকা পরে বাসায় এসেছিলেন। বেরিয়ে যাওয়ার সময় তার পরনে ছিল নিহত নাফিসার স্কুল ড্রেস।
সোমবার (৮ ডিসেম্বর) সকালে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, নাফিসার গলায় একাধিক গভীর ক্ষত এবং লায়লার শরীরে অনেকগুলো আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। হাতে গ্লাভস পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মা-মেয়েকে আঘাত করা হয়েছে।
ভবনের একাধিক সিসি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, নাফিসার বাবা সকাল ৭টার দিকে স্কুলের উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হন। সকাল ৭টা ৫১ মিনিটে বোরকা পরে ওই বাসার লিফটে উঠে সাত তলায় যান গৃহকর্মী আয়েশা। সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটে কাঁধে স্কুল ব্যাগ নিয়ে ড্রেস পরে মুখে মাস্ক লাগিয়ে বের হয়ে যান।
পারিবারিক সূত্র জানায়, নাফিসা লাওয়াল বিনতে আজিজের বাবা আজিজুল ইসলাম সকালে স্কুলে যান। তিনি বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বাসায় এসে স্ত্রী-সন্তানের মরদেহ দেখতে পান।
আজিজুল ইসলাম জানান, ভবনের তত্ত্বাবধায়ক ও নিরাপত্তাকর্মীদের মাধ্যমে চারদিন আগে ওই গৃহকর্মীকে কাজে নেন। সকালে এসে বাসার কাজ করে চলে যেতেন। এর মধ্যে রোববার বাসার মূল দরজার চাবি হারিয়ে যায়। সন্দেহ হলেও গৃহকর্মীকে কিছু জিজ্ঞাসা করা হয়নি।
আজিজুল বলেন, ‘মেয়েটির পরিচয় ও ফোন নম্বর চেয়েছিলাম। কিন্তু সে বলেছিল, আগুনে পুড়ে তার মা-বাবা মারা গেছেন। সে-ও আগুনে দগ্ধ হয়েছিল। এসব বলে পরিচয় ও ফোন নম্বর দেয়নি।’
আজিজুলের গ্রামের বাড়ি নাটোর সদর উপজেলায়। ২০১২ সাল থেকে তিনি পরিবার নিয়ে বহুতল ভবনটির সপ্তম তলায় নিজের ফ্ল্যাটে থাকতেন।
মন্তব্য করুন
শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) ডিএমপির রমনা বিভাগের নিউমার্কেট জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) মো. জাহাঙ্গীর কবির এসব তথ্য জানান। বুধবার (৩ ডিসেম্বর) রাজধানীর জিগাতলা, রায়েরবাজার ও বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) ভোরে যশোর জেলায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতাররা হলেন- মো. রাকিব মাতব্বর, মো. আলাউদ্দিন ব্যাপারী, মো. মহিউদ্দিন ব্যাপারী, মো. মানিক, মো. ফরহাদ হোসেন ও মো. মেহেদী হাসান।
গ্রেফতারকালে প্রতারণায় ব্যবহৃত ১৩টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
মো. জাহাঙ্গীর কবির জানান, গত ১৯ আগস্ট দুপুরে এলিফ্যান্ট রোডের ভাড়া বাসায় অবস্থানকালে ভুক্তভোগী নারী ‘কোরআনিক শিফা’ নামে একটি ফেসবুক পেজে ‘অবাধ্য সন্তানকে বাধ্য করার উপায়’ শিরোনামের ভিডিও দেখেন। সেখানে দেওয়া নম্বরে ফোন করলে নিজেকে তান্ত্রিক হিসেবে পরিচয় দেওয়া এক ব্যক্তি জানান, জ্বীনের মাধ্যমে তার সন্তানের সমস্যার সমাধান করা হবে।
প্রতারণার অংশ হিসেবে প্রথমে বিভিন্ন জিনিসপত্র কেনার অজুহাতে ভুক্তভোগীর কাছ থেকে ৫ হাজার ৫০০ টাকা বিকাশে নেন। এরপর হোয়াটসঅ্যাপে ‘কালো জাদু’র ছবি পাঠিয়ে কাজ চলছে বলে জানান। পরদিন পুনরায় ফোন করে ‘জ্বীন পরিচয়ে’ চক্রের একজন ভুক্তভোগীর সঙ্গে কথা বলে শিশুটির ভবিষ্যৎ নিয়ে ভয় দেখানো হয়। সমাধানের জন্য ৪৯ হাজার টাকা দাবি করা হয় ভুক্তভোগীর কাছ থেকে।
সন্তানকে বিপদ থেকে রক্ষার আশায় তিনি পুনরায় টাকা পরিশোধ করেন। পরে একই কৌশলে ২১ আগস্ট থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন সময় ভুক্তভোগীর কাছ থেকে মোট ৩৫ লাখ ৪৪ হাজার ১০৫ টাকা হাতিয়ে নেয় প্রতারকরা।
তিনি বলেন, এক পর্যায়ে ভুক্তভোগী ওই নারী প্রতারণা চক্রের খপ্পরে পড়েছেন বুঝতে পেরে নিউমার্কেট থানায় হাজির হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এজাহার নেওয়ার পর নিউমার্কেট থানার এসআই (নি.) মো. ফিরোজ আহম্মেদ তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান পরিচালনা করেন।
অভিযানে বুধবার সন্ধ্যায় হাজারীবাগ থানাধীন জিগাতলা-রায়েরবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫ জনকে এবং বৃহস্পতিবার ভোরে যশোরের চৌগাছা থানার যাত্রাপুর এলাকা থেকে আরও একজনকে গ্রেফতার করা হয়।
এ সময় তাদের কাছ থেকে প্রতারণায় ব্যবহৃত ১১টি অ্যান্ড্রয়েড ফোন ও ২টি বাটন ফোন জব্দ করা হয়।
গ্রেফতার আসামিদের আদালতে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।
মন্তব্য করুন
গ্রেফতারকৃতরা হলেন-গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী দেলোয়ার ভূইয়া, তাজুল ইসলাম তাজ, সিনিয়র অন্তু দেওয়ান এবং বহিরাগত শ্রাবণ শাহা।
পুলিশ জানায়, অন্তু দেওয়ান গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের সদ্য নির্বাচিত ভিপি ইয়াছিন আল মৃদুল দেওয়ানের চাচাতো ভাই। বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনি ত্রাস ও সন্ত্রাসের সঙ্গে জড়িত এবং একচ্ছত্রভাবে মেয়ে শিক্ষার্থীদের উত্যক্ত সঙ্গে জড়িত।
ভিপির ভাই পরিচয়ের কারণে কেউ তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করার সাহস পেত না। এর আগে বুধবার (৩ ডিসেম্বর) আশুলিয়া থানায় চারজনকে অভিযুক্ত করে মামলা দায়ের করেন সাভার গণবিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিভাগের প্রথম বর্ষের ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থী।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বিগত ৭ এপ্রিল সকালে পিকনিকে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে ভুক্তভোগীকে আশুলিয়ার ফুলেরটেক এলাকায় নিয়ে যায়। পথিমধ্যে কোমল পানীয় 'মজোর' সঙ্গে চেতনানাশক ঔষুধ খওয়ালে কিছুক্ষণ পর অচেতন হয়ে যান ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী।
ওইদিন বিকাল ৫টার দিকে জ্ঞান ফিরলে আসামিদের ফুলের টেকের ছাত্র-ম্যাসে নিজেকে দেখেন এবং বুঝতে পারেন তার সঙ্গে জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক করা হয়েছে। পরে তিনি ডাক-চিৎকার শুরু করলে আসামিরা ধর্ষণের ধারণকৃত ভিডিও ও অশ্লীল ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে ভাইরাল করে দেওয়াসহ এসিড দিয়ে মুখ ঝলসে দেওয়ার হুমকি দেয়।
ঘটনার পর থেকে তাকে ধর্ষণের ভিডিও ভাইরাল করার ভয় দেখিয়ে জিম্মি করে একাধিক ধাপে ভুক্তভোগীর কাছ থেকে কয়কবারে মোট ৯৬ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়।
ভুক্তভোগী পুলিশকে জানান, বুধবার (৩ ডিসেম্বর) সকালে ক্যাম্পাসে গেলে তাকে আবারও শারীরিক সম্পর্কের জন্য চাপ সৃষ্টি করে আসামিরা। পরে তিনি বাসায় চলে এসে পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানান।
তিনি বলেন, এর আগে দ্বিতীয় বারের মতো গত ৬ নভেম্বর সকালেও আসামিরা অন্তু দেওয়ানের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কের জন্য তার ওপর চাপ সৃষ্টি করে। তাদের প্রস্তাবে রাজি না হলে ভুক্তভোগীকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজসহ এলোপাথাড়ি চড় থাপ্পর দিয়ে টেনে-হিঁচড়ে অন্তু দেওয়ানের কাছে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।
এ সময় আবারও বোতলে থাকা বিষাক্ত নেশাজাতীয় পানীয় ভুক্তভোগীকে জোরপূর্বক খেতে বাধ্য করে। ঘটনার পর পালিয়ে এসে অসুস্থ অবস্থায় কোনোমতে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে গুরুত্বর অসুস্থ ও অচেতন হয়ে পড়েন তিনি।
পরে সহপাঠী ও শিক্ষকরা গণস্বাস্থ্য সমাজভিত্তিক মেডিকেলে তাকে ভর্তি করেন। অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। সেখানে ৫ দিন তিনি চিকিৎসা নেন।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর স্বজন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দিলে আসামিরা তার ওপর আরও চড়াও হন।
চিকিৎসা শেষে ক্যাম্পাসে আসার পর আবার গত ২৬ নভেম্বর দুপুর ১২টার দিকে গণবিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিভাগের একাডেমিক কক্ষে গেলে আসামিরা সঙ্গে সঙ্গে দরজা বন্ধ করে দিয়ে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে আটকে রেখে বিশ্ববিদ্যালয়ে দেওয়া লিখিত অভিযোগ তুলে নিতে চাপ দেয় ও মারধর করে।
পরে বিকাল ৩টার দিকে মুচলেকা রেখে তাকে ছেড়ে দেয়। তিনি বলেন, গত ২৭ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ও ডিপার্টমেন্ট প্রধানের বরাবর অভিযোগ দেওয়ার পরও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ৭ দিনেও আসামিদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ব্যবস্থা না নেওয়ায় নিরাপত্তার কারণে বাধ্য হয়ে গতকাল বুধবার আশুলিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ।
এ ব্যাপারে আশুলিয়া থানার ওসি আব্দুল হান্নান বলেন, গত ৩ এপ্রিল থেকে ধারাবাহিক ঘটে যাওয়া এসব ঘটনা নিয়ে মামলা হয়। বিশ্ববিদ্যালয় অভিযোগ দেওয়ার পরও কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় ঐ শিক্ষার্থী তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে থানায় এসে ৪ জনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা দায়ের করেছেন।
এ ঘটনায় পুলিশ দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করে এবং সারারাত অভিযান চালিয়ে মাত্র ১৭ ঘণ্টার মধ্যেই অভিযুক্ত চারজনকেই আশেপাশে এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
ওসি বৃহস্পতিবার সকালে জানান, আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এই ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের বা ভিপি ইয়াছিন আল মৃদুল দেওয়ানের কোনো সংশ্লিষ্টতা আছে কিনা তা জানার চেষ্টা করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, গ্রেফতারকৃত ৪ জনের মধ্যে তিনজন ঐ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, একজন বহিরাগত সহযোগী।
মন্তব্য করুন
গোপালগঞ্জ সদর থানার কালীবাড়ী রোড এলাকায় পরিচালিত সফল অভিযানে মানব পাচার মামলার তদন্তে প্রাপ্ত পলাতক আসামি মো: আলমগীর মিনা (৪৫)–কে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
র্যাব-১০ ও র্যাব-৬-এর সমন্বিত টিম মঙ্গলবার (০৩ ডিসেম্বর ২০২৫) বিকাল আনুমানিক ১৬.৩০ ঘটিকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে আটক করে।
মামলার তথ্য অনুযায়ী, ০৬ আগস্ট ২০২৪ তারিখ রাত ৩টার দিকে লিবিয়ায় কর্মরত বাংলাদেশি নাগরিক সাইদ হাসান ঝন্টুকে স্থানীয় দালাল চক্র অপহরণ করে ২০ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের ভিডিও পাঠিয়ে পরিবারকে চাপ প্রয়োগ করায় ঝন্টুর ভাই বাধ্য হয়ে ১৩ ও ১৪ আগস্ট Two দফায় টাকা প্রেরণ করেন। পরে ভিকটিম ১৫ আগস্ট লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসে লিখিত অভিযোগ করেন।
আদালতের নির্দেশে ফরিদপুর কোতয়ালী থানায় মামলা নং–০৬, তারিখ–০৩/০৯/২০২৪, মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ (ধারা ৭/৮/৯/১০) অনুযায়ী মামলা রুজু হয়। তদন্ত কর্মকর্তা র্যাব-১০ এর সহায়তা চাইলে র্যাব তথ্য-প্রযুক্তির ব্যবহার ও গোয়েন্দা নজরদারীর মাধ্যমে পলাতক আসামিকে শনাক্ত করে।
গ্রেফতারকৃত আলমগীর মিনাকে পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন
কড়া নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে সকাল সোয়া ১০টার পর তাদের প্রিজনভ্যানে করে ঢাকা ক্যান্টমেন্টের বিশেষ কারাগার থেকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।
বুধবার (৩ ডিসেম্বর ) ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ বিষয়ে শুনানি ও আদেশ দেবেন।
ট্রাইব্যুনালের অন্য সদস্যরা হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন সেলে (টিএফআই সেল) গুম করে রাখার ঘটনায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সেনা কর্মকর্তাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) গঠনের শুনানি হতে পারে আজ।
টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন সেলে (টিএফআই) গুম করে রাখার ঘটনায় করা এই আসামিদের বিরুদ্ধে শুনানির জন্য গত ২৩ নভেম্বর আজকের এই দিন ধার্য করে আদালত।
কারাগারে থাকা ১০ সেনা কর্মকর্তা হলেন কর্নেল এ কে এম আজাদ, কর্নেল আবদুল্লাহ আল মোমেন, লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মশিউর রহমান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. কামরুল হাসান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহাবুব আলম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার, লে. কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম, লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সারওয়ার বিন কাশেম ও লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল ইসলাম সুমন।
শেখ হাসিনার শাসনামলে গুম, খুনের মামলায় গত ২২ অক্টোবর অন্য মামলার ৩ সেনা কর্মকর্তার সগে এই ১০ সেনা কর্মকর্তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
পরে ঢাকা ক্যান্টমেন্টে সরকার ঘোষিত বিশেষ কারাগারে তাদের রাখা হয়। গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে গুমের ঘটনায় ৮ অক্টোবর ট্রাইব্যুনালে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল হয়।
শুনানি শেষে সেদিন ট্রাইব্যুনাল আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নিয়ে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে।
গুমের একটি অভিযোগের (টিএফআই) ঘটনায় আসামি শেখ হাসিনা ও তারেক সিদ্দিকীসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে পাঁচটি অভিযোগ আনা হয়।
মন্তব্য করুন
মন্তব্য করুন
রোববার (২১সেপ্টেম্বর) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
গুলশান থানা-পুলিশের বরাত দিয়ে তালেবুর রহমান বলেন, গত ৩১ আগস্ট সকাল আনুমানিক ৯টা ৫১ মিনিটে টার্কিশ এয়ারলাইনসের কর্মকর্তা সেরকান আকান তার বাসা থেকে কর্মস্থলে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।
এসময় অজ্ঞাতনামা একটি নম্বর থেকে একটি কল আসে তার মোবাইল ফোনে। কলকারী নিজেকে এনএসআই গুলশান জোনের সহকারী পরিচালক (এডি) আব্দুল মুহিন বলে পরিচয় দেন।
পুলিশ কর্মকর্তা মুহাম্মদ তালেবুর আরও বলেন, কলকারী ব্যক্তি জানান পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনের জন্য সেরকানকে কল করেছেন তিনি। সেরকান তখন তার দোভাষীর সঙ্গে কথা বলিয়ে দেন। এনএসআইয়ের এডি পরিচয়দানকারী ব্যক্তি এ সময় সেরকানের পাসপোর্ট নম্বর ও জন্ম তারিখ মিলিয়ে নেন এবং বলেন, পাসপোর্ট ভেরিফিকেশন করে পুলিশের বিশেষ শাখায় (এসবি) জমা দিতে হবে।
এই কাজের জন্য পাঁচ হাজার টাকা দিতে হবে। না হলে ভেরিফিকেশন আটকে দিবেন, তখন এক লাখ টাকা দিতে হবে। সেরকান টাকা দিতে অস্বীকার করলে এনএসআই কর্মকর্তা পরিচয়দানকারী ব্যক্তি তাকে নানাভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। বিষয়টি পরবর্তীতে টার্কিশ এয়ারলাইনস কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে থানায় লিখিতভাবে জানানো হলে গুলশান থানায় একটি নিয়মিত মামলা করা হয়।
উপ-পুলিশ কমিশনার তালেবুর বলেন, মামলাটি তদন্তকালে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় গুলশান থানা-পুলিশের একটি টিম শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) বেলা আনুমানিক আড়াইটার দিকে মিরপুরের পূর্ব কাজীপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে।
এসময় এনএসআই-এর এডি হিসেবে পরিচয়দানকারী রুবেলকে গ্রেফতার করা হয়। তার কাছ থেকে মোবাইলের একটি সিম ও বিভিন্ন লোকের পাসপোর্টের তথ্যসম্বলিত বিভিন্ন কাগজপত্র উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতার রুবেলকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন
অপরাধ অপরাধ অপরাধ
" title="Types Of ভাড়াটিয়া || Comedy Special || Sanjay Das - Bishakto Sanju | Joy-Rupam-Ayan-Shuvro || 2024" frameborder="0" allow="accelerometer; autoplay; clipboard-write; encrypted-media; gyroscope; picture-in-picture; web-share" referrerpolicy="strict-origin-when-cross-origin" allowfullscreen>মন্তব্য করুন