শুরুতে অবশ্য সাকিবকে কেউ কেনেনি। অবিক্রিতই থেকে যাচ্ছিলেন। পরে অবশ্য দল পেলেন। তাকে কিনেছে ভারতীয় মিলিওনিয়ার মুকেশ আম্বানির দণল এমআই এমিরেটস। সাকিবের মূল্য ৪০ হাজার মার্কিন ডলার।
তাসকিনের মূল্য সাকিবের দ্বিগুণ। যদিও বাংলাদেশের এই পেসারকে ৮০ হাজার ডলারে কিনেছে শারজাহ ওয়ারিয়র্স। ২০২৩ সালে যাত্রা শুরু হলেও আইএলটি২০–তে নিলাম অনুষ্ঠিত হয়েছে এবারই প্রথম।
দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত নিলামে সর্বোচ্চ ভিত্তিমূল্যের খেলোয়াড় ছিলেন ভারতের রবিচন্দ্রন অশ্বিন। তবে ১ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার মূল্যের এই ক্রিকেটারকে নিয়ে ৬ ফ্র্যাঞ্চাইজির কেউই আগ্রহ দেখায়নি।
এমনকি অলরাউন্ডারদের টি-টোয়েন্টি র্যাংকিংয়ের শীর্ষে উঠে আসার সুখবর পাওয়ার দিনে দল পাননি পাকিস্তানের সাইম আইয়ুবও। যদিও পাকিস্তানি ক্রিকেটাররা আইএল টি২০’র জন্য এনওসি পাবেন কি না সন্দেহ রয়েছে।
অন্যান্য পরিচিত ক্রিকেটারদের মধ্যে মোহাম্মদ আমির, জেসন রয়, টেম্বা বাভুমা, জিমি অ্যান্ডারসন, মোহাম্মদ নেওয়াজকেও কোনো দল কেনেনি।
বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক টুর্নামেন্টে অবাধে খেলার উদ্দেশ্যে ভারতের সব ধরনের ক্রিকেট থেকে অবসর নেন অশ্বিন।
ভারতের বাইরে লিগে খেলার প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে সাবেক এই অফ স্পিনার এরপর নাম লেখান আইএলটি২০ নিলামে। কিন্তু তিনি সেখানে অবিক্রিতই রয়ে গেলেন।
নিলামে প্রথম ডাকে দল পাননি সাকিব ও তাসকিন দু’জনই। পরে অবিক্রীত খেলোয়াড়দের নিয়ে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর আগ্রহের ভিত্তিতে আবার নিলাম ডাকা হয়। তখন সাকিবকে এমআই এমিরেটস এবং তাসকিনকে শারজা ওয়ারিয়র্স কিনে নেয়।
মন্তব্য করুন
মন্তব্য করুন
মন্তব্য করুন
মন্তব্য করুন
মন্তব্য করুন
মন্তব্য করুন
মন্তব্য করুন
তবে দ্রুতই ঘুরে দাঁড়ায় ইউনাইটেড। মিনিট দুয়েকের ব্যবধানে ব্রুনো ফার্নান্দেজের নিখুঁত ফ্রি-কিক ও মাথেউস কুনহার হেডে ফের লিড নেয় রেড ডেভিলসরা। জয়ের স্বপ্ন দেখলেও নাটকীয় শেষের সামনে টিকতে পারেনি তারা। ম্যাচ শেষের ছয় মিনিট আগে ১৯ বছর বয়সী এলি জুনিয়র ক্রুপির গোলে সমতায় ফেরে বোর্নমাউথ—ফলাফল ৪-৪ ড্র।
ম্যানইউ কোচ রুবেন আমোরিম এ ম্যাচে তার পছন্দের পাঁচজনের রক্ষণভাগে পরিবর্তন এনে আমাদ দিয়ালোকে আরও আক্রমণাত্মক ভূমিকায় নামান, যার সুফল মেলে ম্যাচের ১৩ মিনিটেই। কাছ থেকে হেডে গোল করেন আইভোরিয়ান এই উইঙ্গার।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল ইউনাইটেড। প্রথম ১০ মিনিটেই তারা নেয় ৬টি শট—অক্টোবর ২০২২ সালের পর এত দ্রুত সময়ে এতগুলো শট নেওয়ার রেকর্ড এটি। পুরো ম্যাচে দুই দল মিলিয়ে শট নেয় ৩৮টি।
হলুদ কার্ড দেখায় আগামী রোববার অ্যাস্টন ভিলার বিপক্ষে ম্যাচে কাসেমিরোকে পাবে না ইউনাইটেড। ম্যাচের শেষদিকে অতিরিক্ত সময়ে ডেভিড ব্রুকসের দুটি দারুণ প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দেন বোর্নমাউথ গোলকিপার সেনে লাম্মেনস।
এই ড্রয়ের ফলে শীর্ষ পাঁচে ওঠার সুযোগ হাতছাড়া করেছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। অন্যদিকে, ১৩তম স্থানে থাকা বোর্নমাউথের জয়হীন ধারা বেড়ে দাঁড়াল সাত ম্যাচে।
মন্তব্য করুন
ভারতকে ২১ বছর পর আন্তর্জাতিক ম্যাচে হারানোর ঐতিহাসিক সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে জাতীয় ফুটবল দল পেল দুই কোটিরও বেশি অর্থ পুরস্কার।
গত ১৮ নভেম্বর ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এএফসি এশিয়ান কাপ বাছাই ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে দুর্দান্ত জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ।
ম্যাচশেষে তাৎক্ষণিকভাবে ২ কোটি টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছিলেন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
মঙ্গলবার জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) সেই পুরস্কারের চেক প্রদান করে। জাতীয় ফুটবল দলের ম্যানেজার আমের খান এনএসসি থেকে পুরস্কারপ্রাপ্ত ৩০ জনের চেক গ্রহণ করেন।
মোট ৩০ জন—২৩ ফুটবলার, কোচসহ মোট ৭ অফিসিয়াল—প্রতি জন পেয়েছেন ৭ লাখ টাকা করে, যেখানে মোট পুরস্কারের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ১০ লাখ টাকা, যা ঘোষিত টাকার চেয়ে ১০ লাখ বেশি।
বাফুফে ৪০ জনের একটি তালিকা পাঠালেও ক্রীড়া পরিষদ ভারতের ম্যাচের স্কোয়াডভুক্ত ২৩ ফুটবলার ও ৭ জন অফিসিয়ালের নামেই চেক তৈরি করে।
তবে তালিকা থেকে মিডিয়া ম্যানেজার, ফিজিও, ডাক্তার এবং টিম অ্যাটেন্ডেন্টকে বাদ দেওয়া হয়েছে।
মন্তব্য করুন
মঙ্গলবার সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে জাতীয় লিগের সপ্তম ও শেষ ম্যাচে রাজশাহীর বিপক্ষে ১৪৬ রানে হেরেছে ময়মনসিংহ। চতুর্থ ইনিংসে ৪২৮ রান তাড়ায় ২৮১ রানে থামে তাদের ইনিংস। এরপর একাই ১৪১ রান করেন রনি।
৯৭ রান নিয়ে দিন শুরু করা রনিকে আজ মঙ্গলবার সেঞ্চুরি পূর্ণ করতে খুব বেশি সময় নেননি। শেষ পর্যন্ত তাকে আউটই করতে পারেননি রাজশাহীর বোলাররা। দুই ইনিংসেই ৫টি করে উইকেট নিয়ে রাজশাহীর জয়ের নায়ক অভিজ্ঞ বাঁহাতি স্পিনার সানজামুল ইসলাম।
বাংলাদেশ 'এ' দলের হয়ে হংকং সিক্সেস ও এশিয়া কাপ রাইজিং স্টারস টুর্নামেন্ট খেলতে চলে যাওয়ায় এবার জাতীয় লিগের সব ম্যাচ খেলতে পারেননি রনি। তবে ৪ ম্যাচের ৭ ইনিংস ব্যাটিং করেই ৩২ ছক্কা মেরেছেন তিনি। আর চার মেরেছেন ৩১টি। আর কোনো ব্যাটার ১৫টি ছক্কাও মারতে পারেননি।
দশ বা এর বেশি ছক্কা মারতে পেরেছেন শুধু চার জন- জিয়াউর রহমান (১৩), সোহাগ গাজী (১২), সৌম্য সরকার (১২) ও মোহাম্মদ নাঈম শেখ (১০)। আর এই ৭ ইনিংসে ১০৫.২৫ গড়, ১১৬.৯৪ স্ট্রাইক রেটে ৪২১ রান করেছেন রনি। শুধু বাউন্ডারি থেকে তিনি করেছেন ৩১৬ রান।
৭ ম্যাচে ২৪ পয়েন্টে টেবিলের তিন নম্বরে থেকে আসর শেষ করলো ময়মনসিংহ। এবারই প্রথম জাতীয় ক্রিকেট লিগে অংশ নিলো দলটি। আর ১৮ পয়েন্টে ৭ নম্বরে বরিশাল।
মন্তব্য করুন
২০২৬ ফিফাবিশ্বকাপের সব গ্রুপ চূড়ান্ত হয়ে গেছে। জানা হয়ে গেছে, আসন্ন বিশ্বকাপে কে হচ্ছে কার প্রতিপক্ষ। কোন গ্রুপে আছে কারা। কোন দল পেয়েছে সহজ গ্রুপ, কাদের ভাগ্যে জুটেছে ডেথ গ্রুপ।
স্থানীয় সময় শুক্রবার দুপুর ১২টায় (বাংলাদেশ সময় শুক্রবার রাত ১১টা) ওয়াশিংটন ডিসির বিখ্যাত জন এফ কেনেডি সেন্টার ফর পারফর্মিং আর্টস ভেন্যুতে ফিফা বিশ্বকাপ-২০২৬ এর দলগুলোর ড্র অনুষ্ঠিত হয়েছে।
যেখানে ৪৮টি দলকে ভাগ করা হয়েছে ১২টি গ্রুপে। আসুন একনজরে দেখে নিই—বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে কে কার প্রতিপক্ষ।
গ্রুপ ‘এ’: মেক্সিকো, দক্ষিণ কোরিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, (গ্রুপের চতুর্থ দল হিসেবে ইউরোপিয়ান প্লে-অফ ‘ডি’ জয়ী—ডেনমার্ক/চেক রিপাবলিক/রিপাবলিক অব আয়ারল্যান্ড অথবা নর্থ মেসিডোনিয়া)
গ্রুপ ‘বি’: কানাডা, কাতার, সুইজারল্যান্ড, (চতুর্থ দল হিসেবে ইউরোপিয়ান প্লে-অফ ‘এ’ জয়ী—ইতালি/ওয়েলস/বসনিয়া-হার্জেগোভিন অথবা নর্দার্ন আয়ারল্যান্ড)
গ্রুপ ‘সি’: ব্রাজিল, মরক্কো, স্কটল্যান্ড, হাইতি
গ্রুপ ‘ডি’: যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, প্যারাগুয়ে, (চতুর্থ দল হিসেবে ইউরোপিয়ান প্লে-অফ ‘সি’ জয়ী—তুরস্ক/স্লোভাকিয়া/কসোভো অথবা রোমানিয়া)
গ্রুপ ‘ই’: জার্মানি, ইকুয়েডর, কোত দি ভোয়া, কুরাসাও
গ্রুপ ‘এফ’: নেদারল্যান্ডস, জাপান, তিউনিসিয়া, (চতুর্থ দল হিসেবে ইউরোপিয়ান প্লে-অফ ‘বি’ জয়ী—ইউক্রেন/পোল্যান্ড/আলবেনিয়া অথবা সুইডেন)
গ্রুপ ‘জি’: বেলজিয়াম, ইরান, মিশর, নিউজিল্যান্ড
গ্রুপ ‘এইচ’: স্পেন, উরুগুয়ে, সৌদি আরব, কেপ ভার্দ
গ্রুপ ‘আই’: ফ্রান্স, সেনেগাল, নরওয়ে, (ফিফা প্লে-অফ ২ জয়ী দল—ইরাক, বলিভিয়া অথবা সুরিনাম)
গ্রুপ ‘জে’: আর্জেন্টিনা, অস্ট্রিয়া, আলজেরিয়া, জর্ডান
গ্রুপ ‘কে’: পর্তুগাল, কলম্বিয়া, উজবেকিস্তান (ফিফা প্লে-অফ ১ জয়ী দল—কঙ্গো, জ্যামাইকা অথবা নিউ ক্যালেডোনিয়া)
গ্রুপ ‘এল’: ইংল্যান্ড, ক্রোয়েশিয়া, পানামা, ঘানা
আগামী বছরের ১১ জুন পর্দা উঠবে ফুটবল বিশ্বকাপের। ২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপের আয়োজক দেশ—যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডা। এতদিন ৮টি গ্রুপে ৩২টি দেশের বিশ্বকাপ খেললেও এবার প্রথমবারের মতো ১২টি গ্রুপে অংশ নেবে ৪৮টি দেশ।
পূর্বনির্ধারিত সময় অনুযায়ী শনিবার (৬ ডিসেম্বর) বিশ্বকাপের সব ম্যাচের সূচি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করবে ফিফা।
মন্তব্য করুন
এদিন টস জিতে শুরুতে ব্যাট হাতে পাওয়ার প্লেতে দারুণ ঝড় তুলেছিল আয়ারল্যান্ড। তবে সেই ছন্দ বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি সফরকারীরা। টাইগার লেগ-স্পিনার রিশাদ হোসেনের দুর্দান্ত বোলিংয়ে চাপে পড়ে পরপর কয়েকটি উইকেট হারায় আইরিশরা।
পরে সেই চাপ আর কাটিয়ে উঠতে পারেনি আয়ারল্যান্ড। দুর্দান্ত বোলিং এবং ফিল্ডিংয়ে শেষ পর্যন্ত সফরকারীদের ১১৭ রানেই থামিয়ে দেয় লিটন দাসের দল। আইরিশদের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩৮ রান আসে পল স্টার্লিংয়ের ব্যাট থেকে।
লক্ষ্যটা খুব বেশি বড় না, তাই বেশ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গেই ব্যাট হাতে রান তাড়া করতে নামে বাংলাদেশ। পাওয়ার প্লেতে যদিও দুই উইকেট হারায় স্বাগতিকরা। ওপেনার সাইফ হাসান ১৯ এবং অধিনায়ক লিটন দাস সাজঘরে ফেরেন ব্যক্তিগত মাত্র ৭ রানেই।
তবে আরেক ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম আর পারভেজ হোসেন ইমনের ব্যাট এদিন হেসেছে। ফলে চাপমুক্ত থেকে ৮ উইকেট ও ৩৮ বল হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে গেল বাংলাদেশ।
দারুণ জয়ের এই দিনে এক বিরল রেকর্ডও গড়েছেন টাইগার ওপেনার তানজিদ তামিম। টেস্ট খেলুড়ে দেশগুলোর মধ্যে ফিল্ডার হিসেবে এক টি-টোয়েন্টি ম্যাচে পাঁচটি ক্যাচ নেওয়ার কীর্তি গড়েছেন তিনি। কাঙ্ক্ষিতভাবে প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচের পুরষ্কারটাও তার হাতেই উঠেছে।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
আয়ারল্যান্ড: ১১৭ (১৯.৫ ওভার); স্টার্লিং ৩৮, ডকরেল ১৯; মুস্তাফিজ ৩-১১, রিশাদ ৩-২১
বাংলাদেশ: ১১৯/২ (১৩.৪ ওভার); তামিম ৫৫, ইমন ৩৩; টেক্টর ১-১৭, ক্রেগ ১-৩০
মন্তব্য করুন
যদিও খবরের কোথাও জামায়াতে ইসলাম ও পাইলটের কোন আনুষ্ঠানিক বক্তব্য নেই।
তারপরও খবরটি বেশ ভাইরাল হয়েছে। অনেকেই জানতে চেয়েছেন সত্যিই কি পাইলট রাজনীতিতে জড়াচ্ছেন ? যোগ দিচ্ছেন জামায়াতের রাজনীতিতে ?
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের এ খবরটি নজর এড়ায়নি পাইলটেরও। ছড়িয়ে পড়া এ সংবাদ নিয়ে আলাপে জাতীয় দলের সাবেক উইকেটকিপার অধিনায়ক ও বর্তমান বিসিবি পরিচালক খালেদ মাসুদ পাইলটের ব্যাখ্যা পরিষ্কার, ‘আমি ক্রীড়া অনুরাগী মানুষ।
জন্মগতভাবেই ক্রীড়া পরিবারের ছেলে। আমার বাবাও ছিলেন জাতীয় ফুটবলার। আমি জাতীয় দলে খেলেছি অনেকদিন। অধিনায়কত্ব করেছি। এখন বিসিবি পরিচালক হয়েছি দেশের ক্রিকেটের উন্নয়নে ভুমিকা রাখার লক্ষ্য নিয়ে।
আপাতত আমার রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হবার কোনই ইচ্ছে নেই। সব রাজনৈতিক দলের প্রতি সমান শ্রদ্ধা রেখেই বলছি আমার এখন কোন রাজনৈতিক দলে যোগদানের প্রশ্নই আসেনা। এখন আমি রাজনীতি নিয়ে ভাবছিওনা।’
নিজের ধ্যানজ্ঞান যে এখনও ক্রিকেটেই, সেটিও স্পষ্ট করেছেন তিনি, ‘আমার সার্বক্ষণিক চিন্তা এখন খেলাধুলা, বিশেষ করে ক্রিকেট। কি করে ক্রিকেটের উন্নয়ন ঘটবে, আমি সে চিন্তায় বিভোর।
সবেমাত্র বিসিবির সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়েছি ক্রিকেটকে এগিয়ে নেয়ার লক্ষ্যে। এ অবস্থায় রাজনীতিতে জড়ানোর প্রশ্নই আসেনা। তেমন কোনই সম্ভাবনা নেই।’
পাইলট আরও বলেন, ‘তবে হ্যাঁ, আমি যদি বিসিবির বাইরের কোন সংগঠনের অনুষ্ঠানে অংশ নিতেই পারি। যেমন আমি আগামীকাল ২৮ নভেম্বর একটি খেলার প্রোগ্রামে যাচ্ছি। এখন সেটা দেখে যদি কেউ আমাকে কোন দলের ব্যানারের লোক মনে করেন, তাহলে বলার কিছুই থাকবেনা।
আমি আশা করবো, বিসিবির বাইরেও আমরা অনেক অনুষ্ঠানে যোগ দেই। সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে যেতেও হয়। কিন্তু সেগুলোর মধ্যে দয়া করে কেউ রাজনীতির দাগ দিয়েন না।’
মন্তব্য করুন
মঙ্গলবার ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়ামে এএফসি এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের ম্যাচে বাংলাদেশ ১-০ গোলে জিতেছে ভারতের বিপক্ষে।
১২ মিনিটে মোরসালিনের করা গোলটি বাকি সময় ধরে রেখেছে বাংলাদেশ। সেই কৃতিত্ব সিংহভাগই হামজা চৌধুরীর অবদান। এক কথায় ম্যাচটি ছিল হামজাময়। গত ২৫ মার্চ ভারতে অনুষ্ঠিত ম্যাচ ড্র করে এসছিল বাংলাদেশ।
এবার ঘরের মাঠে বাংলাদেশ ম্যাচ জিতে পাঁচ ম্যাচে ৫ পয়েন্ট ঝুলিতে তুললো। এএফসি এশিয়া কাপ বাছাই পর্বের এই ম্যাচটি কোনোভাবেই বাংলাদেশ এবং ভারতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল না। কারণ, আগেই এই দুই দল বাছাই পর্ব থেকে ছিটকে পড়েছে। তবে ঢাকা স্টেডিয়ামে বাংলাদশে এবং ভারত ম্যাচটি মর্যাদার লড়াই।
সেই মর্যাদার লড়াইয়ে অবশেষে জিতলো বাংলাদেশ। গত ২৫ মার্চ শিলংয়ে ভারতের সঙ্গে ড্র করে এসেছিল বাংলাদেশ। যেটা ছিল বাংলাদেশের জার্সিতে হামজা চৌধুরীর প্রথম ম্যাচ। কিন্তু এবার ঘরের মাঠে সেই ভারতকে পেয়ে হামজা চৌধুরা এবং সে সঙ্গে শামিত সোমরা মাঠ ছাড়লো জয়ের হাসি নিয়ে।
১২ মিনিটে মোরসালিনের গোলে বাংলাদেশ এগিয়ে গেলেও ভক্ত-সমর্থকদের শঙ্কা ছিল, শেষ মুহূর্তে না আবার গোল হজম করে বসে লাল-সবুজের জার্সিধারীরা! কারণ, আগে গোল দিয়ে শেষ মুহূর্তে গোল হজম করে কত ম্যাচ যে জয় বঞ্চিত থাকতে হলো বাংলাদেশকে!
যার সর্বশেষ উদাহরণ, চারদিন আগে নেপালের বিপক্ষে ম্যাচটি। যেটাতে হামজার জোড়া গোল সত্ত্বেও শেষ মুহূর্তের গোল ২-২ ব্যবধানে ড্র করতে হয়েছিল বাংলাদেশকে।
তবে, এবার আর সে শঙ্কাকে বাস্তবে রূপ দিতে পারেনি ভারতীয়রা। মোরসালিনের দেয়া গোলের পর নিজেদের রক্ষণ জমাটবদ্ধ রেখেই জয় তুলে নিলো বাংলাদেশ।
ম্যাচের শুরু থেকে বাংলাদেশের পোস্ট লক্ষ্যে একের পর এক আক্রমণ সাজাচ্ছিল ভারত। কিন্তু ১২তম মিনিটে পাল্টা আক্রমণ থেকে বল পেয়ে দ্রুত গতিতে তিনজনকে কাটিয়ে ভারতের বক্সে ঢুকে যান রাকিব।
বাম দিক থেকে রাকিব যে ক্রসটি নেন তাতে দুর্দান্তভাবে কানেক্ট করেন মোরসালিন। ভারতীয় গোলরক্ষক এগিয়ে এসেও শেষ রক্ষা করতে পারেননি। গোল...। বাংলাদেশ এগিয়ে যায় ১-০ ব্যবধানে।
এরপর সমতায় ফিরতে মরিয়া ভারত অনেকবার চেষ্টা চালিয়েছে গোলের; কিন্তু হামজাদের ডিফেন্স এবং গোলরক্ষক মিতুল মারমার বাধা ভেদ করে তারা পারেনি গোল করতে। হামজা চৌধুরী গোললাইনে সেভ করেছেন বারবার। দুরপাল্লার শটে তার শট পোস্ট ঘেঁষে বাইরেও গেছে একবার। রক্ষণে বারবার ত্রানকর্তার ভূমিকায় ছিলেন। আক্রমনে সহায়তাও করেছেন।
মাঠে উত্তেজনাও ছিল বেশ। জামাল ভূঁইয়া আগের দিন বলেছিলেন, এই ম্যাচে অনেক ঘটনা ঘটবে। ৩৩ মিনিটে একটি ফাউলকে কেন্দ্র করে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে ধাক্কাধাক্কিও হয়েছে। ফিলিপাইনের রেফারি বাংলাদেশের তপু বর্মণ ও ভারতের নারাভি নিখিলকে হলুদ কার্ড দেখিয়ে সতর্ক করেছেন।
তার আগে ব্যাথা পেয়ে ২৭ মিনিটে মাঠ ছেড়েছেন তারিক কাজী। তার পরিবর্তে কোচ মাঠে নামিয়েছেন মোহামেডানের তরুণ ডিফেন্ডার শাকিল আহাদ তপুকে।
ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে গত ২৫ মার্চ শিলংয়ে বাংলাদেশের জার্সিতে অভিষেক হয়েছিল ইংলিশ লিগের ক্লাব লেস্টার সিটির ফুটবলার হামজা দেওয়ান চৌধুরীর। ওই ম্যাচটি ড্র হয়েছিল। ভারতের বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচে হামজা পেলেন বাংলাদেশের ফুটবলের অন্যতম সেরা ও আনন্দের জয়টি।
বাংলাদেশের হয়ে সপ্তম ম্যাচ খেললেন হামজা চৌধুরী। ম্যাচটি তার জন্য লাকি সেভেনই থাকলো। এ ম্যাচেও হামজা ছিল অনন্য। একটি গোলও পেতে পারতেন। বক্সের বাইরে থেকে তার নেওয়া শট অল্পের জন্য চলে যায় পোষ্ট ঘেঁষে।
গত দুটি এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে জয় ছিল না বাংলাদেশের। এরপর চলমান আসরে চার ম্যাচ গোলশূন্য। অবেশেষ বাংলাদেশ পেলো ঘরের মাঠে ভারতের বিপক্ষে দ্বিতীয় জয় এবং এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে ভারতের বিপক্ষে প্রথম জয়।
বাংলাদেশ একাদশ
মিতুল মারমা, তপু বর্মণ, তারিক কাজী (শাকিল আহাদ তপু), সাদ উদ্দিন জায়ান আহমেদ (তাজ উদ্দিন), হামজা চৌধুরী, সোহেল রানা, শামিত সোম, রাকিব হোসেন, শেখ মোরসালিন (শাহরিয়ার ইমন) ও ফয়সাল আহেমদ ফাহিম।
মন্তব্য করুন
এই ম্যাচে ভারতকে যদি হারাতে পারে বাংলাদেশ, তাহলে সেটা হয়ে থাকবে বিরাট এক মাইলফলক।
অন্যদিকে এই ম্যাচে যেহেতু হামজা চৌধুরী এবং শামিত সোমদের মতো ফুটবলার বাংলাদেশ দলে রয়েছেন, তখন বাংলাদশের দর্শকরা জয় আশা করতেই পারে।
সে লক্ষ্যে খেলতে নেমে ঢাকা স্টেডিয়ামে ১২ মিনিটেই গোল করে এগিয়ে গেলো বাংলাদেশ। শেখ মোরসালিন করেন গুরুত্বপূর্ণ এই গোলটি।
ম্যাচের শুরু থেকে বাংলাদেশের পোস্ট লক্ষ্যে একের পর এক আক্রমণ সাজাচ্ছিল ভারত।
কিন্তু ১২তম মিনিটে পাল্টা আক্রমণ থেকে বল পেয়ে দ্রুত গতিতে তিনজনকে কাটিয়ে ভারতের বক্সে ঢুকে যান রাকিব। বাম দিক থেকে রাকিব যে ক্রসটি নেন তাতে দুর্দান্তভাবে কানেক্ট করেন মোরসালিন।
ভারতীয় গোলরক্ষক এগিয়ে এসেও শেষ রক্ষা করতে পারেননি। গোল.......। বাংলাদেশ এগিয়ে যায় ১-০ ব্যবধানে।
এরপর সমতায় ফিরতে মরিয়া ভারত অনেকবার চেষ্টা চালিয়েছে গোলের; কিন্তু হামজাদের ডিফেন্স এবং গোলরক্ষক মিতুল মারমার বাধা ভেদ করে তারা পারেনি গোল করতে। হামজা চৌধুরী গোললাইনে সেভ করেছেন বারবার।
দুরপাল্লার শটে তার শট পোস্ট ঘেঁষে বাইরেও গেছে একবার। রক্ষণে বারবার ত্রানকর্তার ভূমিকায় ছিলেন। আক্রমনে সহায়তাও করেছেন।
মাঠে উত্তেজনাও ছিল বেশ। জামাল ভূঁইয়া আগের দিন বলেছিলেন, এই ম্যাচে অনেক ঘটনা ঘটবে। ৩৩ মিনিটে একটি ফাউলকে কেন্দ্র করে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে ধাক্কাধাক্কিও হয়েছে।
ফিলিপাইনের রেফারি বাংলাদেশের তপু বর্মণ ও ভারতের নারাভি নিখিলকে হলুদ কার্ড দেখিয়ে সতর্ক করেছেন।
তার আগে ব্যাথা পেয়ে ২৭ মিনিটে মাঠ ছেড়েছেন তারিক কাজী। তার পরিবর্তে কোচ মাঠে নামিয়েছেন মোহামেডানের তরুণ ডিফেন্ডার শাকিল আহাদ তপুকে।
বাংলাদেশ একাদশ
মিতুল মারমা, তপু বর্মণ, তারিক কাজী, সাদ উদ্দিন জায়ান আহমেদ, হামজা চৌধুরী, সোহেল রানা, শামিত সোম, রাকিব হোসেন, শেখ মোরসালিন ও ফয়সাল আহেমদ ফাহিম।
মন্তব্য করুন
আলবিসেলেস্তেরা শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করে খেলতে থাকে। ম্যাচের শুরুতে, ৯ম মিনিটে মাহের কারিজোর গোলে এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে (৫৬ মিনিটে) মাতেও সিলভেত্তির নিখুঁত ফিনিশিংয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করে দলটি।
ম্যাচে উত্তেজনার কমতি ছিল না— যার ফলে মেক্সিকোকে শেষ মুহূর্তে দুটি লাল কার্ড দেখতে হয়। ইনজুরি সময়ে ওচোয়া (৯০+২ মিনিট) ও হিমেনেজকে (৯০+৭ মিনিট) লাল কার্ড দেখিয়ে বহিষ্কার করা হয়। ফলে তারা নয়জনের দলে পরিণত হয়েছিল।
এই জয়ের মাধ্যমে আর্জেন্টিনা সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে কলম্বিয়ার, যারা এর আগে দারুণ এক ম্যাচে স্পেনকে ৩-২ গোলে হারিয়ে শেষ চারে উঠেছে। এখন প্লাসেন্তের শিষ্যদের লক্ষ্য গ্র্যান্ড ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করা।
মন্তব্য করুন
শেষ পর্যন্ত অবশ্য বিপদ হয়নি। সহজ ম্যাচ কঠিন করে জিতেছে জাকের আলীর দল। শারজায় সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে আফগানিস্তানকে ৪ উইকেট আর ৮ বল হাতে রেখে হারিয়েছে বাংলাদেশ। তিন ম্যাচ সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেছে টাইগাররা।
রান তাড়ায় উড়ন্ত সূচনা করে বাংলাদেশ। তানজিদ হাসান তামিম আর পারভেজ হোসেন ইমন পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে তোলেন বিনা উইকেটে ৫০ রান।
ওপেনিং এই জুটিতে ১১ ওভারের মধ্যেই ১০০ পার করে বাংলাদেশ।
৩৫ বলে ফিফটি করেন ইমন। এক বল কমে হাফসেঞ্চুরি হাঁকান তামিম। তাদের ১০৯ রানের ওপেনিং জুটি ভাঙে ১২তম ওভারে ইমনের এলবিডব্লিউয়ে। ৩৭ বলে ৪ বাউন্ডারি আর ৩ ছক্কায় ৫৪ রান করে ফেরেন ইমন।
পরের দুই ওভারে রশিদ খানের ঝলকে ম্যাচে ফেরে আফগানিস্তান। এই লেগি ওভারে দুইটি করে শিকার করেন ৪ উইকেট। বিনা উইকেটে ১০৯ থেকে ৬ উইকেটে ১১৮ রানে পরিণত হয় বাংলাদেশ। অর্থাৎ ৯ রানে হারায় ৬ উইকেট।
এশিয়া কাপ মাতানো সাইফ হাসান রানের খাতা খোলার আগেই এলবিডব্লিউ। তিন বল পর উইকেটরক্ষকের ক্যাচ তামিম। ৩৭ বলে ৩টি করে চার-ছক্কায় ৫১ রানের ইনিংস খেলেন বাঁহাতি এই ওপেনার।
নিজের পরের ওভারে আরও ২ উইকেট রশিদের। জাকের আলী ৬ আর শামীম পাটোয়ারী ০ রানে হন এলবিডব্লিউ। তার পরের ওভারে নুর আহমেদের বলে এলবিডব্লিউ তানজিম হাসান সাকিব (০)। তার অবশ্য ব্যাটে বল লেগেছিল। আম্পায়ার আঙুল তুলে দেন। রিভিউ ছিল না বাংলাদেশের।
১১৮ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে হারের শঙ্কায় পড়ে বাংলাদেশ। সেখান থেকে রিশাদ হোসেন আর নুরুল হাসান সোহান ম্যাচ বের করে নিয়ে আসেন। রিশাদ ৯ বলে ১৪ আর সোহান ১৩ বলে ১ চার ও ২ ছক্কায় অপরাজিত থাকেন ২৩ রানে।
রশিদ খান মাত্র ১৮ রান দিয়ে শিকার করেন ৪ উইকেট।এর আগে ১৬ ওভার শেষে ছিল ৬ উইকেটে ১০০ রান। শেষ ৪ ওভারে আরও ৫১ রান তোলে আফগানিস্তান। সবমিলিয়ে ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১৫১ রান করেছে আফগানরা।
শারজায় টস জিতে ব্যাটিং বেছে নেয় আফগানিস্তান। তবে খুব একটা সুবিধা করতে পারেনি। পাওয়ার প্লেতে আফগানরা তুলতে পারে ৩ উইকেটে মাত্র ৩৩ রান।
আত্মবিশ্বাসী শুরু করা আফগানিস্তানের ইনিংসে চতুর্থ ওভারে আঘাত হানেন নাসুম আহমেদ। ১০ বলে ১৫ করে বোল্ড হন ইব্রাহিম জাদরান।
সেদিকুল্লাহ অতল হন তানজিম হাসান সাকিবের শিকার। তার শর্ট ডেলিভারিতে ব্যাট চালালে বল সোজা আকাশে উঠে যায়। ক্যাচ নেন পারভেজ হোসেন ইমন। ১২ বলে ১০ করে ফেরেন অতল।
মোস্তাফিজুর রহমানের করা পরের ওভারে রহমানুল্লাহ গুরবাজের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে ননস্ট্রাইকার এন্ডে একই প্রান্তে চলে এসেছিলেন দারউইশ রসুলি (২ বলে ০)। বোলার মোস্তাফিজই বল ধরে স্ট্রাইকার এন্ডে জাকের আলীকে দেন, স্টাম্প ভেঙে রানআউট নিশ্চিত করেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।
সপ্তম ওভারে রিশাদ হোসেনকে স্লগ সুইপ করতে গিয়ে শামীম পাটোয়ারীকে ক্যাচ দেন মোহাম্মদ ইসাক (৪ বলে ১)। ৪০ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে আফগানিস্তান।
সেখান থেকে একটি জুটি গড়েন আজমতউল্লাহ ওমরজাই আর রহমানুল্লাহ গুরবাজ। তাদের ২৭ বলে ৩৩ রানের জুটিটি ভাঙেন রিশাদ। লং অন বাউন্ডারিতে ক্যাচ হন বল সমান ১৮ রান করা ওমরজাই।
একটা প্রান্ত ধরে ছিলেন গুরবাজ। ছক্কা খেয়ে এক বল পরেই তাকে স্লোয়ারে বিভ্রান্ত করেন তানজিম সাকিব। ৩১ বলে ৪০ করে ফেরেন গুরবাজ। একশর আগে (৯৫) রানে ৬ উইকেট হারায় আফগানিস্তান।
সেখান থেকে দলকে লড়াকু পুঁজির পথ গড়ে দেন মোহাম্মদ নবি।
তাসকিন আহমেদকে ১৮তম ওভারে তিন ছক্কা হাঁকিয়ে আউট হন তিনি। ২৫ বলে নবির ব্যাট থেকে আসে ৩৮। রশিদ খানকে ৪ রানে উইকেটরক্ষকের ক্যাচ বানান মোস্তাফিজ। শেষদিকে ১২ বলে ১৭ রানের ক্যামিও উপহার দেন শরফুউদ্দিন আশরাফ।
দুটি করে উইকেট নেন তানজিম হাসান সাকিব আর রিশাদ হোসেন।
মন্তব্য করুন
টসে উঠলো সেটাই। টস জিতে প্রথমে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় পাকিস্তান। ফাতিমা বলেন, ‘উইকেটটা বেশ ভালো দেখাচ্ছে। ব্যাটিংয়ের জন্য উপযোগী মনে হচ্ছে। আমরা চাই ভালো ক্রিকেট খেলতে। বিশ্বকাপে প্রতিটি দলই কঠিন প্রতিপক্ষ।
তবে আমরা বাংলাদেশকে কোয়ালিফায়ারে খেলেছি, যদি নিজেদের খেলা খেলতে পারি তবে যে কাউকেই হারানো সম্ভব।’ পাকিস্তান অধিনায়ক জানান, তাদের দলে তিনজন নতুন মুখ আজ প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে খেলছেন।
টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতো বাংলাদেশও। বাংলাদেশ অধিনায়ক নিগার সুলতানা বলেন, ‘আমরা টসে জিতলেও প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্তই নিতাম। উইকেট ব্যাটিংয়ের জন্য দারুণ মনে হচ্ছে। আমরা অনেকদিন ধরে কঠোর পরিশ্রম করছি।
ফিটনেস ও স্কিলের জন্য বহু ক্যাম্প করেছি। শারীরিক ফিটনেস বজায় রাখার পাশাপাশি মানসিকভাবে শক্ত থাকার চেষ্টাও করছি।’
মন্তব্য করুন
তৃতীয় বল মোকাবিলা করতে নামলেন শেখ মেহেদী।
কোনো রান নিতে পারলেন না। হাই বাউন্সে আসা চতুর্থ বলটিতে পুল করতে চেয়েছিলেন মেহেদী। কিন্তু সেটি গিয়ে সোজা আশ্রয় নেয় উইকেটরক্ষকের গ্লাভসে। জোরালো আবেদনে সাড়া দেননি আম্পায়ার।
কাল বিলম্ব না করেই রিভিউ চেয়ে বসেন লঙ্কান বোলার দাসুন শানাকা। রিভিউতে দেখা যায় মেহেদীর ব্যাট ছুঁয়ে গেছে বলটি। সুতরাং, আউট। চরম নাটকীয়তায় শেষ মুহূর্তে ম্যাচ জমে ওঠে তখন। ২ বলে প্রয়োজন ১ রান। ব্যাট হাতে উইকেটে আসেন নাসুম আহমেদ।
এবার শানাকার করা পঞ্চম বলটি পয়েন্টে ঠেলে দিয়েই সিঙ্গেলস বের করে বাংলাদেশকে জয় উপহার দেন নাসুম।
সুপার ফোরের প্রথম ম্যাচে ১ বল হাতে রেখে শ্রীলঙ্কাকে ৪ উইকেটের ব্যবধানে হারিয়ে ফাইনালের পথে একধাপ এগিয়ে থাকলো টাইগাররা।
এর আগে ১৬৯ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে দুর্দান্ত ব্যাট করেন সাইফ হাসান ও তাওহিদ হৃদয়। ৬১ রান করেন সাইফ ও ৫৮ রান আসে হৃদয়ের ব্যাট থেকে।
অথচ এই শ্রীলঙ্কার কাছেই গ্রুপ পর্বের ম্যাচে ৬ উইকেটের ব্যবধানে হেরেছিল টাইগাররা। ওই ম্যাচে লঙ্কানদের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি লিটন দাসের দল। আবার আফগানিস্তানকে শ্রীলঙ্কা হারানোর ফলে বাংলাদেশ উঠতে পেরেছে সুপার ফোরে।
তাওহিদ হৃদয়কে নিয়ে সমালোচনা হচ্ছিল বেশ কিছুদিন ধরে। তার ব্যাটে দীর্ঘদিন রান নেই। আগের সেই মারকাটারি ব্যাটিংও নেই তার হাতে। এ কারণে তুমুল সমালোচনা সইতে হচ্ছিল তাকে। তবে টিম ম্যানজেমেন্টকে ধৈর্য ধরে তাকে সুযোগ দিয়ে যেতে হয়েছে।
অবশেষে সেই সুযোগের প্রতিদান দিতে পারলেন ডানহাতি এ ব্যাটার। ৩৭ বলে ৫৮ রান করে বাংলাদেশের জয়ে অন্যতম সেরা ভূমিকা রাখেন তিনি। ৪টি বাউন্ডারির সঙ্গে ২টি ছক্কার মার মারেন তিনি। এটি তার টি-২০ ক্যারিয়ারে চতুর্থ অর্ধশতক।
তবে বাংলাদেশের জয়ে সবচেয়ে বড় অবদান রেখেছেন ওপেনার সাইফ হাসান। পারভেজ হোসেন ইমনের পরিবর্তে আফগানিস্তানের বিপক্ষে একাদশে সুযোগ পেয়ে বাজিমাত করেছিলেন তিনি। সেদিন করেছিলেন ৩০ রান। তবে উদ্বোধনী জুটিতে করেন ৬৩ রান।
এবার দ্বিতীয় সুযোগেই করে ফেললেন হাফ সেঞ্চুরি। শুধু তাই নয়, ক্যারিয়ার সেরা ইনিংস খেলে সাইফ আউট হন ৬১ রান করে। ৪৫ বলে খেলা এ ইনিংসটি সাজানো ছিল ২টি চার ও ৪টি ছক্কায়। ম্যাচ সেরার পুরস্কারও জেতেন তিনি।
১৬৯ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই তানজিদ হাসান তামিমের উইকেট হারায় বাংলাদেশ। কোনো রান না করেই আউট হয়ে যান তিনি। এরপর সাইফ হাসান এবং লিটন দাসের ৫৯ রানের জুটিতে ঘুরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ। ২৩ রান করে আউট হন লিটন দাস। এরপর ৫৪ রানের জুটি গড়েন তাওহিদ হৃদয় ও সাইফ হাসান।
৪৫ বলে ৬১ রান করে আউট হন সাইফ হাসান। তাওহিদ হৃদয় ৩৭ বলে ৫৮ রান করে আউট হন। ১৪ রান করে অপরাজিত থাকেন ১২ বলে, জাকের আলী অনিক আউট হন ৯ রান করে। শেখ মেহেদী শূন্য রানে আউট হয়ে যান। নাসুম আহমেদ মাঠে নেমে করেন জয়সূচক রান। ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা ও দাসুন শানাকা নেন ২টি করে উইকটে।
এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শ্রীলঙ্কা সংগ্রহ করে ৭৬ উইকেট হারিয়ে ১৬৮ রান। ৩৭ বলে ৬৪ রান করে অপরাজিত থাকেন দাসুন শানাকা। ৩৪ রান করেন কুশল মেন্ডিস, ২২ রান করেন পাথুম নিশাঙ্কা ও ২১ রান করেন চারিথ আশালঙ্কা।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
শ্রীলঙ্কা: ১৬৮/৭, ২০ ওভার (দাসুন শানাকা ৬৪*, কুশল মেন্ডিস ৩৪, পাথুম নিশাঙ্কা ২২, চারিথ আশালঙ্কা ২১; মোস্তাফিজুর রহমান ৩/২০, মেহেদী হাসান ২/২৫, তাসকিন ১/৩৭)।
বাংলাদেশ: ১৬৯/৬, ১৯.৫ ওভার (সাইফ হাসান ৬১, তাওহিদ হৃদয় ৫৮, লিটন দাস ২৩, শামীম হোসেন পাটোয়ারী ১৪*, জাকের আলি অনিক ৯; দাসুন শানাকা ২/২১, হাসারাঙ্গা ২/২২)।
মন্তব্য করুন
মন্তব্য করুন
মন্তব্য করুন
মন্তব্য করুন
মন্তব্য করুন