
গত ৯ ডিসেম্বর বিকাল ৪টা ৪৫ মিনিটে র্যাব-১০ এর একটি চৌকস দল গোপন সংবাদে জানতে পারে—রাজধানীর পল্টন এলাকায় একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত চক্র ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে।

র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে মাইক্রোবাসে থাকা ৬ জন ব্যক্তি নিজেদের র্যাব সদস্য পরিচয় দিলেও, তাদের পরিচয়পত্র যাচাই করে দেখা যায়—সবই ভুয়া।
পরে মাইক্রোবাস তল্লাশি করে উদ্ধার করা হয়—
র্যাব লেখা ৪টি কটি
৪টি ক্যাপ
৫টি ভুয়া র্যাব আইডি কার্ড
২টি হ্যান্ডকাফ
২টি ওয়াকিটকি
পিস্তলের কভার
ব্যাটন স্টিক
অতিরিক্ত নম্বর প্লেট
মোবাইল ফোন
নগদ টাকা
এবং ডাকাতিতে ব্যবহৃত মাইক্রোবাস

র্যাব জানায়—আটক শহিদ মাঝি, মামুন, মিজান ও তাদের সহযোগীরা নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে ডাকাতি করার পরিকল্পনা করছিল।
গ্রেফতারকৃত সবার বিরুদ্ধেই নানা থানায় ডাকাতি, অস্ত্র, মাদকসহ একাধিক মামলা রয়েছে। জুয়েল বিশ্বাস নামের এক আসামি এই চক্রের নেতৃত্ব দিত এবং চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে নতুন সদস্য সংগ্রহ করত।
একই দিন দুপুর ৩টার দিকে রাজধানীর লালবাগে শহীদনগরে ঘটে আরেকটি চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ড।
কারখানা কর্মচারী মোহাম্মদ হোসেন (২৫)–কে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে স্থানীয় যুবক আবির।

ঘটনার আগের রাতে লোহার পাইপ চাওয়া নিয়ে তর্ক-বিতর্ক থেকে সৃষ্টি হয় ঝগড়া।
পরদিন প্রতিশোধ নিতে আবির ছুরিকাঘাত করে হোসেনকে হত্যা করে।
মিডিয়ায় খবর প্রচারিত হতেই এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।
র্যাব-১০ এবং লালবাগ থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটে কেরাণীগঞ্জের খোলামোড়া এলাকা থেকে মাত্র ৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করা হয় মূল আসামি আবিরকে।
র্যাব জানায়—
দেশে ভুয়া র্যাব পরিচয়ে বিভিন্ন অপরাধ বাড়ছে।
এ ধরনের প্রতারকচক্রের বিরুদ্ধে র্যাবের নজরদারি আরও কঠোর করা হয়েছে।
সন্দেহজনক আচরণ দেখলে জনগণকে দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।