
এখনও কোনো ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয়রা জানান, কম্পন খুব বেশি ছিল না এবং স্থায়িত্ব ছিল কয়েক সেকেন্ড। অনেকেই ঘর থেকে বেরিয়ে আসেন। রাতের ঘটনায় এলাকায় কিছুটা আতঙ্ক তৈরি হয়।
আন্তর্জাতিক সংস্থা ইউরোপিয়ান মেডিটেরিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টার (ইএমএসসি) তাদের ওয়েবসাইটে জানায়, ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৪.৯।
সংস্থার তথ্যে বলা হয়েছে, ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল মিয়ানমারের সাগাইং অঞ্চলের নাচুয়াংয়ে।
একই তথ্য দিয়েছে ইউনাইটেড স্টেটস জিওলজিকাল সার্ভে- ইউএসজিএসও। মিয়ানমারে সৃষ্ট এই ভূমিকম্পে চট্টগ্রামও কেঁপেছে।
শেষ কিছু দিনে এটি নিয়ে অষ্টমবারের মতো ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে বাংলাদেশে। শুরু হয়েছিল গত ২১ নভেম্বর শুক্রবার। সেদিন নরসিংদীতে ৫.২ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে পুরো দেশ। এরপর থেকে টানা মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েই চলেছে।