
আমরা নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি। শাপলা কলি মার্কায় ইনশাআল্লাহ আমরা ৩০০ আসনে প্রার্থী দেবো। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আপনার-আমার সবার দল।’ নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নিবন্ধনের জন্য এনসিপি মনোনীত হওয়ায় মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) রাতে এক ভিডিও বার্তায় এসব কথা বলেন তিনি।
ভিডিও বার্তায় নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘যারা নতুন করে রাজনীতি করতে চান, বাংলাদেশটাকে নতুন করে গড়তে চান- আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। আমরা সব জেলায়, সব আসনে সৎ, যোগ্য এবং দেশপ্রেমিক নেতৃত্ব দেখতে চাই। সারাদেশে জাতীয় নাগরিক পার্টির সাংগঠনিক কার্যক্রম হচ্ছে। এ মাসের মধ্যেই আমরা আমাদের প্রার্থিতার তালিকা চূড়ান্ত করবো।
শাপলা কলি প্রতীকে বাংলাদেশের প্রতিটি আসনে আমরা যোগ্য এবং দেশপ্রেমিক প্রার্থী দেবো। আমরা মানুষের কাছ থেকে যে সাড়া এবং সমর্থন পেয়ে এসেছি, আগামী নির্বাচনে সেটি পাবো বলে প্রত্যাশা করি।’
তিনি বলেন, ‘অনেক দিনের চেষ্টার মাধ্যমে আজ আমরা নিবন্ধন পেয়েছি। এনসিপি এখন থেকে একটি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল। শাপলা কলি প্রতীকে আমরা নিবন্ধন পেয়েছি। নিবন্ধন পাওয়ার পেছনে জাতীয় নাগরিক পার্টির কেন্দ্রীয় এবং তৃণমূলের কর্মীরা অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন। সেজন্য আপনাদের জানাই আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা।’
এনসিপির আহ্বায়ক আরও বলেন, ‘গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে মানুষ একটি নতুন বাংলাদেশ প্রত্যাশা করেছিল, সেই বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আমরা ফেব্রুয়ারি মাসে জাতীয় নাগরিক পার্টি প্রতিষ্ঠা করি। প্রতিষ্ঠার পর মার্চ মাস থেকে আমরা নিবন্ধনের কার্যক্রম শুরু করি এবং জুন মাসে আমাদের নিবন্ধনের সব কাগজপত্র জমা দেই।
নির্বাচন কমিশনে সবকিছু জমা হওয়া সত্ত্বেও আমাদের প্রত্যাশিত মার্কা শাপলা দিতে গড়িমসি করে। তারপর নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আমাদের এক ধরনের লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে যেতে হয়।
সারাদেশে আমাদের যেসব অফিস রয়েছে, নেতাকর্মী রয়েছেন, কমিটি রয়েছে- সেগুলোতে নির্বাচন কমিশন তাদের অবজারভেশন করে এবং দেড় মাস আগে আমরা জানতে পারি আমরা নিবন্ধন পেতে যাচ্ছি। তবে আমাদের প্রতীক আটকে ছিল।
অবশেষে আমরা শাপলা কলি প্রতীকে নিবন্ধন পেয়েছি। সেজন্য আন্তরিকভাবে আবারও ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই। যারা এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত ছিলেন, যারা আমাদের সমর্থন দিয়েছেন- এই পুরোটা সময় আমরা মানুষের পাশে থেকে মানুষের জন্য কাজ করেছি। জুলাই পদযাত্রায় মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়েছি, মানুষের অভূতপূর্ব সাড়া পেয়েছি।’